জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

বৃহস্পতিবার, ৪ নভেম্বর, ২০১০

আমরা সবাই

দুনিয়ার সবাই প্রতিনিত বাঁশ খাচ্ছে—
প্রত্যেক দিন অসময়ের পাথরে আমাদের উষ্টা খাওয়া,
প্রতিদিন কারনে-অকারনে তোসামদী—
খাচ্ছি এবং সমান তালে দিচ্ছি।
কতিপয় বিরক্তিকর মানুষ দেখে
ঠাস করে চড় দেব বলে মনে মনে ভাবছি।
হাতটা আধা ইঞ্চি বাড়িয়েও
অথচ আবার আড়াই ইঞ্চি পিছনে নিচ্ছি।

শুধু এইখানেই শেষ নয়—
ব্যাক্কলের মত বেকায়দায় পড়ে
দাঁতগুলো ডিসপ্লেতে তুলে হাসি দিচ্ছি;
কল্লা সুদ্ধ মুন্ডটা মাটিতে পুতে দিতে ইচ্ছে করে,
তবুও কুশলদি বিনিময় করছি।

প্রতিদিনই আমাদের প্রিয় লুকুচুরি খেলা—
কতিপয় কিছু মানুষ দেখে লুকচ্ছি।
মাঝে মাঝে আমরাই সেই "কতিপয়";
কেউ কেউ আমাদের দেখে লুকোচ্ছে।
এ যেন পুনরায় নিন্ম-মাধ্যমিকে ফিরে যাওয়া—
একে অন্যের কাপড়ে দাগা-দাগির বদলে
চরিত্র-সার্টিফিকেটে কুত্সার মার্কার দিয়ে দাগাচ্ছি।
আর পিছে বসে ভত্সনা!—
সে তো বাথরুমে আনমনে গেয়ে ওঠার মত বেপার;
তাই মনের সুখে গেয়ে যাচ্ছি।

বাস্তবে সম্ভব নয়,
তাই মনে মনে সকলের গুষ্টি উদ্ধার করছি।
প্রতিদিন বেহুদা অথবা চাপে পড়ে চাঁপা মারছি—
অথচ আমরা ঢ্যারা পিটিয়ে করি সত্যের জয়গান!
দুটো নিশ্বাস পর পর আমরা মিথ্যা বলছি,
তবুও কারো মিথ্যা ধরা পড়ে গেলে প্রাণঢালা ধিক্কার দিচ্ছি।

এ সবের মানে কি?—
নিজেদের মহান জাহির করা?
নাকি অন্যের বিব্রতায় আনন্দ পাওয়া?
মিথ্যুক-সত্তুক যাই হই না কেন
আমরা নিজেদের ভাবি স্বর্গীয় দূত।
আমাদের সকলেরই তলা ফুটা—
তবুও নিজেদের গুরুত্ব বোঝাতে হবেই,
তাই আমরা অনেক ব্যাস্ত থাকি—
ব্যাস্ততার খোঁজে!

জানি পেছনে পেছনে সবাই গালি দেয়
তবুও সুযোগ পেলেই হুঙ্কার দিচ্ছি,
আবার কোথাও কোথাও ঝারিও খাচ্ছি।
জানি না এসবের কি প্রয়োজন—
হয়ত নিশ্চই আছে!
হয়ত আমরা সবাই কুকুরের মত,
হুঙ্কার দিয়ে আমাদের কতৃত্ব বোঝাতে হয়
আমাদের অস্তিত্ব নির্ভর করে ফাঁকা হুঙ্কারে!!!

(২৪ শ্রাবণ ১৪১৭ বঙ্গাব্দ)

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন